‘ডিম বা জুতো নয়, থিমে থাকুক সনাতনী শালীনতা!’ দুর্গাপুজোর থিম ও মণ্ডপে আমিষ খাবার বিতর্কে সাফ কথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

- থিমে আপত্তি নেই, বিকৃতিতে আপত্তি: বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) স্পষ্ট বার্তা, শিল্পকলা বা আধুনিক থিমে বাধা নেই; তবে জুতো বা ডিমের মতো বিতর্কিত মণ্ডপকলা এবং মূর্তির বিকৃতি বরদাস্ত করা হবে না।
- প্রতিমার সাবেকিয়ানা ও শালীনতা: থিম হলেও দেবী দুর্গার প্রতিমায় মাতৃত্ব, শালীনতা ও সনাতনী ভাবধারা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- মণ্ডপ চত্বরে আমিষ নিষেধে জোর: বাংলায় খাবারের সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়েও ভিএইচপি (VHP)-র স্পষ্ট দাবি, দেবী প্রতিমার পুজো প্রাঙ্গণের আশপাশে যেন কোনোভাবেই আমিষ খাবারের ছোঁয়া বা বর্জ্য না আসে।
- পুজো উদ্যোক্তাদের তৎপরতা: রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথম দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ভিএইচপি-র এই গাইডলাইন নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলি।
থিম ভাবনার পক্ষে-বিপক্ষে VHP-র বক্তব্য
পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর আবহ তৈরি হতেই থিম বনাম সাবেকিয়ানা নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় এক বার্তা দিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) মার্গ দর্শকমণ্ডলীর প্রবীণ সদস্য নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী স্পষ্ট করেছেন যে, সংগঠন কোনোভাবেই থিম শিল্পের বিরুদ্ধে নয়।
তবে শিল্পকলার নামে যাতে সনাতন ধর্মের মূল ভাবধারা এবং প্রতিমার পবিত্রতা নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।
ভিএইচপি-র নির্দেশিকা ও দাবির সারসংক্ষেপ
| বিষয় | ভিএইচপি (VHP)-র অবস্থান ও বক্তব্য |
| মণ্ডপ সজ্জা ও থিম | সাধারণ বা মন্দিরের আদলে থিম গ্রহণযোগ্য, কিন্তু ডিম, জুতো বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন উপাদান বর্জনীয়। |
| প্রতিমার রূপ ও শালীনতা | দুর্গা প্রতিমায় মাতৃত্ব ও সাবেকিয়ানা বজায় রাখতে হবে; দেবীকে বিধবা বেশে বা হাত থেকে অস্ত্র সরিয়ে বিকৃত করা চলবে না। |
| আমিষ খাবার নিয়ন্ত্রণ | ব্যক্তিগত খাওয়ার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়, তবে মণ্ডপের মূল বেদীর আশপাশে আমিষ বিক্রি বা বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। |
[দুর্গাপুজোর থিম ও সাবেকিয়ানা বিতর্ক] ➔ [VHP-র মার্গ দর্শকমণ্ডলীর স্পষ্ট বক্তব্য] ➔ [প্রতিমার শালীনতা ও ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান] ➔ [মণ্ডপ প্রাঙ্গণে আমিষ স্পর্শ এড়িয়ে চলার নির্দেশ]
পুজো মণ্ডপে আমিষ খাবার ও ঐতিহ্য রক্ষা
বাঙালির পুজোয় ভোজনের সংস্কৃতির কথা মেনে নিয়েও নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী জানান, দেবী প্রতিমার আশপাশের পবিত্রতা নিশ্চিত করা আয়োজকদের দায়িত্ব। মণ্ডপের মূল চত্বর থেকে দূরে নির্দিষ্ট এলাকায় খাদ্যপণ্য বিক্রি করা যেতে পারে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্গাপুজোর আয়োজন নিয়ে ধর্মীয় সংগঠনগুলির এই সক্রিয়তা এবং নির্দেশিকা নিয়ে এখন পুজো পাড়ায় পাড়ায় প্রবল আলোচনা চলছে।






