পেটে ব্যথার চিকিৎসায় পর পর দুটি ইনজেকশন, কিছুক্ষণের মধ্যেই নিথর ১১ বছরের শিশু! রামপুরহাটে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে বিক্ষোভ

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও ভুল ইনজেকশনের অভিযোগ
বীরভূমের রামপুরহাট থানার বেলে নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বুদ্ধদেব মালের ১১ বছরের ছেলে প্রবল পেটে ব্যথা নিয়ে কাবু হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পরিবার তাকে রামপুরহাটের চিকিৎসক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়ের চেম্বারে নিয়ে যায়।
পরিবারের দাবি, শারীরিক পরীক্ষার পর চিকিৎসক বালকটিকে দুটি ইনজেকশন দিতে বলেন। চেম্বারে কর্মরত এক যুবক পর পর দুটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
[তীব্র পেটে ব্যথা নিয়ে চেম্বারে আগমন] ➔ [পরপর ২ টি ইনজেকশন প্রদান] ➔ [দ্রুত স্বাস্থ্যের অবনতি ও নিথর হওয়া] ➔ [হাসপাতালে আনলে মৃত ঘোষণা]
চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে মৃতদেহ রেখে প্রতিবাদ
আশঙ্কাজনক অবস্থায় বালকটিকে দ্রুত রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
| ঘটনার দিক | বিবরণ |
| মৃত বালকের পরিচয় | ১১ বছর বয়স, পিতা: বুদ্ধদেব মাল (গ্রাম: বেলে নারায়নপুর, রামপুরহাট)। |
| অভিযুক্ত পক্ষ | রামপুরহাটের চিকিৎসক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর চেম্বারের কর্মী। |
| বিক্ষোভের রূপ | মৃতদেহ চেম্বারের বাইরে রাস্তায় ফেলে রেখে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের বিক্ষোভ। |
| ক্ষোভের মূল কারণ | ঘটনার পরও অভিযুক্ত ডাক্তার রোগী দেখা বন্ধ না করায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। |
পুলিশি তদন্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি
ঘটনার খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃতদেহটি উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক ও আসল কারণ নিশ্চিত জানা যাবে। প্রাথমিক অবস্থায় বিকেল পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা না পড়লেও, লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনানুগ কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভুল ইনজেকশন নাকি অন্য কোনো অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনের কারণে শিশুটির প্রাণ গেল, তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পরেই পরিষ্কার হবে। তবে এই মর্মান্তিক ঘটনায় রামপুরহাট এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।






