Nepal Flash Flood: ৮ দিনেও নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা, ডিএনএ নমুনা পাঠানো হল সাগর দত্ত হাসপাতালে

নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে আট দিন। এখনও কোনও খোঁজ নেই প্রয়াত মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের। স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে দিশাহারা শুভ্রাংশু রায় এবার সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারস্থ হয়েছেন। সূত্রের খবর, শর্মিষ্ঠার ডিএনএ-র নমুনাও সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রীর খোঁজে শুভ্রাংশু
বুধবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন শুভ্রাংশু রায়। সেখানে জানানো হয়, নেপালে গিয়ে শর্মিষ্ঠা শুভম গেস্ট হাউসে উঠেছিলেন। তাঁকে শেষবার গিরং পোর্টে দেখা গিয়েছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেউ শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পেলে পোস্টারে দেওয়া ৯০৫১৩৭৭০৬৮ নম্বরে যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে।
২৬ আগস্টের পর থেকেই নিখোঁজ
জানা গিয়েছে, গত ২১ আগস্ট ‘চলো যাই’ নামে একটি পর্যটন সংস্থার সঙ্গে ৩২ জনের একটি দল নেপালের উদ্দেশে রওনা দেয়। তাঁদের গন্তব্য ছিল মানস সরোবর। সেই দলেই ছিলেন শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী শর্মিষ্ঠা।
এরপর ২৬ আগস্ট নেপালের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানা যায়।
শর্মিষ্ঠার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও শুভ্রাংশু কথা বলেছেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান না মেলায় সময় যত এগোচ্ছে, পরিবারের উদ্বেগও তত বাড়ছে।
ডিএনএ নমুনা পাঠানোর খবর
এদিকে পর্যটন সংস্থার প্রজেক্ট হেডের দাবি, গত ১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ চার পর্যটকের পরিবারের সদস্যরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ডিএনএ নমুনাও দিয়েছেন।
শুভ্রাংশু রায়কেও নেপালে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল বলে দাবি ওই আধিকারিকের। তবে সন্তানদের দেখভালের কথা মাথায় রেখে তিনি যেতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।
এর মধ্যেই শর্মিষ্ঠার ডিএনএ-র নমুনা সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
বেওয়ারিশ দেহ শনাক্তে ডিএনএ নমুনা
নেপালে বিপর্যয়ের পর উদ্ধার হওয়া বেওয়ারিশ দেহগুলির চাপ সামলাতে প্রশাসন গণসৎকারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তার আগে প্রতিটি দেহের ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে রাখা হবে।
এর ফলে ভবিষ্যতে কোনও পরিবার নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে যোগাযোগ করলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করার সুযোগ থাকবে।
শর্মিষ্ঠার ক্ষেত্রেও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের খবর সামনে আসায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে পরিবারের। তবে তাঁর বর্তমান অবস্থান বা পরিচয় সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।






