Arambagh Food Raid: মিষ্টিতে হোলির রং! আরামবাগে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযানে চাঞ্চল্য

রাজ্যজুড়ে খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের সারপ্রাইজ ভিজিট-এ একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। বুধবার আরামবাগের বেশ কয়েকটি খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়ে এমনই ছবি দেখলেন আধিকারিকরা।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে আসে একটি মিষ্টির দোকানে। সেখানে মিষ্টি তৈরির জায়গা থেকে উদ্ধার হয় হোলির সময় গায়ে মাখার রাসায়নিক রঙের টিউব। সেই রং মিষ্টিতে ব্যবহার করা হত বলে আধিকারিকদের সন্দেহ। রং ও মিষ্টির নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
মিষ্টিতে রাসায়নিক রং?
অভিযানের সময় মিষ্টি তৈরির কারখানা থেকে রঙের টিউব উদ্ধার করেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা। মিষ্টির দোকানের মালিক মিষ্টিতে রং মেশানোর কথা স্বীকার করেছেন বলে দপ্তর সূত্রে দাবি।
তবে তাঁর বক্তব্য, আগে হোলির রং ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে আর তা করা হয় না। বিষয়টি নিশ্চিত করতে মিষ্টির নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।
মশলার পাশে বিড়াল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ
শুধু মিষ্টির দোকানেই নয়, আরামবঙ্গের একাধিক খাবারের দোকানে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ছবি ধরা পড়েছে।
কোথাও মশলা রাখার জায়গা অপরিষ্কার, আবার কোথাও বাটা মশলার পাশেই ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় বিড়াল। খাবার তৈরির জায়গায় এমন অপরিচ্ছন্নতা নিয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বিরিয়ানিতেও ক্ষতিকারক রঙের অভিযোগ
শহরের বিভিন্ন ফাস্টফুড ও বিরিয়ানির দোকানেও হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা। সেখানেও খাবারে ক্ষতিকারক রং ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসে।
বিরিয়ানি-সহ বিভিন্ন খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আধিকারিকরা ব্যবসায়ীদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, খাবারে অননুমোদিত বা ক্ষতিকারক রং ব্যবহার করা যাবে না।
ফের অভিযোগ মিললে কড়া পদক্ষেপ
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সতর্ক করার পরও যদি একই ধরনের অভিযোগ ফের পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দোকানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমনকি দোকান সিলও করে দেওয়া হতে পারে।
তবে এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—খাবারে দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর বা ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা হলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের উপর তার কতটা প্রভাব পড়তে পারে?






